কি ভাবে আমরা শোধ করবো শহীদ জাহীদদের রক্তের এই ঋণ।
মোঃ জাহিদুল ইসলাম :
জুলাই অভ্যুত্থান ২০২৪ সাল সেই ভয়াবহ ১৯ জুলাই শহীদ জাহিদ দৌড়ে চলে যায় মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে।
বন্ধুরা নিষেধ করলে জাহিদ শেষ বলেঃ ‘আমি শহীদ হমু, তোরা যা গা।’ পুলিশ তখন উপর থেকে ছাত্র-জনতাকে লক্ষ্য করে বৃষ্টির মতো গুলি ছুঁড়তেছিল।
ছাত্র-জনতা গুলির বিপরীতে ইটপাটকেল ছুঁড়ে প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছিলো। পুলিশের সাথে ছিল ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রা-সীরা।
জাহিদ ফ্লাইওভারের নিচ থেকে পাশে ফুটওভারের দিকে যেতে নিলে গু*লি এসে লাগে তার মাথায়। পড়ে যায় জাহিদ।
তখন পুলিশের সাথে থাকা সন্ত্রা-সী ছাত্রলীগ দৌড়ে এসে গু*লিবিদ্ধ জাহিদকে এলোপাথাড়ি পিটাতে থাকে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত ছাত্রলীগের সন্ত্রা-সীরা পেটায় জাহিদকে।
পিটিয়ে তার সারা শরীর থেঁতলে ফেলে। জাহিদকে মেরে পিছে চলে আসে ছাত্রলীগ।
একজন পুলিশ সামনে এসে লাথি মে*রে উল্টিয়ে দেখে এখনও বেঁচে আছে কি না। মৃত্যু নিশ্চিত হলে সরে যায় তারা। ২০২৬ সালের আজকের এই দিনে ৯ জুন জন্ম গ্রহণ করেছিলো শহীদ জাহিদ।
বাবা মা পরিজনের সব স্বপ্ন নিমিষেই শেষ হয়েগেলো।
বেঁচে থাকলে আজ ২০ বছরে পা দিতো
শহীদ জাহিদ।
মহানআল্লাহ জাহীদকে শহীদি মর্যাদা দান করুন।