বগুড়ায় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অবৈধ ইটভাটা গুলি পুনরায় চালু।
বগুড়ায় তিনটি অবৈধ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযানে দুটি ইটভাটার চিমনি সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আরেকটি ইটভাটার আংশিক ভেঙে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
সোমবার ১৩ ই জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে বগুড়া সদর উপজেলার সাবগ্রাম, চককপু ও বুজরুক বাড়িয়া এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৯ অনুযায়ী মেসার্স সারিয়াকান্দি ব্রিকস, মেসার্স পুলক ব্রিকস (চকবপু) এবং মেসার্স টিএমএসএস ব্রিকস (বুজরুক বাড়িয়া)এই তিনটি ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযানে মেসার্স সারিয়াকান্দি ব্রিকস ও মেসার্স পুলক ব্রিকসের চিমনি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দেওয়া হয়। টিএমএসএস ব্রিকসের চিমনি আংশিক ভেঙে দেওয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়,
যা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত
পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেন। পরিবেশ অধিদপ্তর বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহাদীর বিন মোহাম্মদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. মাহমুদুল হাসান। অভিযানে জেলা পুলিশ, যুব উন্নয়ন আর্মি ক্যাম্প (৪০ বীর) ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সহযোগিতা করেন। পরিবেশ অধিদপ্রতের সহকারী পরিচালক মাহাদীর বিন মোহাম্মাদ বলেন, অবৈধ ইটভাটা বায়ুদূষণ ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এসব ভাটী বন্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয় হচ্ছে। ইটভাটা মালিকদের পোড়া ইটের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্লক হট কিংবা ফ্লাই অ্যাশ, লাইম ও জিপসাম দিয়ে তৈরি এফএএল-জি ইট উৎপাদনে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ যে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসেও ঐ ইটভাটা গুরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মাত্র ২ দুই মাসের ব্যাবধানে উক্ত ইট ভাটায় পুনরায় উৎপাদন শুরু করলে ১৩ ই জানুয়ারি ২৬ ইং তারিখে ইট ভাটা গুরিয়ে দিলেও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বীর দর্পে নিয়মিত ভাবে ভাটার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
