July 29, 2026, 9:30 am
শিরোনাম :
সমাজের আবর্জনা কিশোর গ্যাং নেসকোর স্থায়ী প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন। বগুড়া জেলা গোয়েন্দা সংস্থার অভিযানে বিপুল পরিমানে জাল টাকা উদ্ধার। প্রধানমন্ত্রীর পিএসএর ফোনে এমপির ডিও বাতিল। রাস্ট্র পতি জিয়াউর রহমান হত্যার আসামি মেজর(অবঃ)মোজাফফর গ্রেফতার। নিখোঁজের ২৫ বছর পর মিলল বাক-প্রতিবন্ধীর মরদেহ। নীলামে ক্রয়কৃত সম্পর্তি নীজ দখলে নিতে সংবাদ সম্মেলন হালকা বৃষ্টিতেই বেহাল বগুড়া টিটিসি: পানি মাড়িয়ে ক্লাসে শিক্ষার্থীরা। খাল খননের কাজে শিক্ষক ও প্রবাসী শ্রমিকের তালিকায়। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের পিয়ারা রহমান তার সংগ্রামের যথাযথ মুল্যায়ন চেয়েছেন

হারানো মোবাইল উদ্ধার করে আবারও চমক দেখালেন মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই রায়হান।

রাসেল আহমেদ

​হারানো মোবাইল উদ্ধার করে আবারও চমক দেখালেন মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই রায়হান

রাসেল আহম্মেদ
০৫ জুন ২০২৬ শুক্রবার, বগুড়ার শিবগঞ্জ ও নবগঠিত মোকামতলা এলাকার মানুষের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র। এরই ধারাবাহিকতায়, হারিয়ে যাওয়া একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিয়ে আবারও সততা ও পেশাদারিত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তদন্ত কেন্দ্রের চৌকস কর্মকর্তা এএসআই রায়হান। ​তদন্ত কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ মে ২০২৬ তারিখে সাধারণ ডায়েরির (জিডি নং-১৩৯৮) প্রেক্ষিতে একটি নিখোঁজ মোবাইল ফোনের অভিযোগ জমা পড়ে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই এএসআই রায়হান দ্রুত তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং ধারাবাহিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তিনি ফোনটি উদ্ধার করতে সক্ষম হন। ​পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও তথ্য-প্রমাণ যাচাই-বাছাই শেষে উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ​দীর্ঘদিন পর প্রিয় ও মূল্যবান মোবাইল ফোনটি ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এর মালিক। তিনি মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, পুলিশের আন্তরিকতা, দ্রুত পদক্ষেপ এবং দায়িত্বশীলতার কারণেই আজ আমি আমার ফোনটি ফিরে পেয়েছি। ​স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, হারানো মালামাল উদ্ধার করে জনগণের মুখে হাসি ফোটানোর মতো এই জনবান্ধব ও মানবিক কর্মকাণ্ড পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসকে আরও সুদৃঢ় করছে। একই সঙ্গে, এটি পুলিশ ও জনগণের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ​পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠাকে ধারণ করে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র যেভাবে জনসেবা দিয়ে যাচ্ছে, তার অন্যতম নজির এএসআই রায়হানের এই সফলতা। তার এই প্রশংসনীয় উদ্যোগ সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের ইতিবাচক ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা