
নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ার সূত্রাপুর এলাকার গোহাইল রোডের বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের দীর্ঘদিনের কর্মী পিয়ারা রহমান তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ, সংগ্রাম ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন।
১৯৬০ সালে জন্মগ্রহণকারী পিয়ারা রহমান জানান, জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ১৯৯৯ সালে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সদস্যপদ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ২০০২ সালে তিনি মহিলা দলের সহ-সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম, সভা-সমাবেশ এবং সাংগঠনিক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। এ সময় তিনি ব্যক্তিগত সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করলেও কখনো ব্যক্তিগত লাভ বা পদ-পদবির প্রত্যাশা করেননি।
পিয়ারা রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সালে তাঁর মা তহমিনা বেগম গুরুতর অসুস্থ হলে তৎকালীন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁদের সূত্রাপুরের বাসায় গিয়ে তাঁর মায়ের খোঁজখবর নেন। তিনি দাবি করেন, সে সময় তাঁর মা তারেক রহমানকে দোয়া করেন এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের আশীর্বাদ করেন। পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছিলেন বলে তাঁর বক্তব্য।
এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তাঁর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন পিয়ারা রহমান। তিনি বলেন, ওই কঠিন সময়ে অনেক নেতা পাশে না দাঁড়ালেও আলী আজগর তালুকদার হেনা তাঁদের পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছিলেন।
সব প্রতিকূলতার মধ্যেও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে তিনি এখনও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন বলে জানান।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ, সংগ্রাম ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়ে পিয়ারা রহমান বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের একসময়ের ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের খুঁজে বের করে তাঁদের যোগ্যতা, অবদান ও সাংগঠনিক ভূমিকার ভিত্তিতে যথাযথ মূল্যায়ন এবং উপযুক্ত দায়িত্ব প্রদান করবেন—এমনটাই তাঁর প্রত্যাশা।